জাতীয়

পুলিশ-ডাক্তার বিতণ্ডা: হাইকোর্টের নজরে আনলেন আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের চলমান লকডাউনে মুভমেন্ট পাস নিয়ে চিকিৎসক- ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা হাইকোর্টের নজরে আনা হয়েছে।

সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ইউনুছ আলী আকন্দ নামের একজন আইনজীবী ঘটনাটি আদালতের নজরে আনেন।

এসময় ইউনুছ আলী আকন্দ আদালতকে বলেন, গতকাল (রোববার-১৮ এপ্রিল) একজন চিকিৎসককে পুলিশ হয়রানি করেছেন। আমি জনস্বার্থে এই ঘটনা আপনাদের কাছে উপস্থাপন করলাম। এ ব্যাপারে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তখন আদালত বলেন, পুলিশ-চিকিৎসক বাগবিতণ্ডা করেছেন। তাদেরকে আদালতে আসতে হবে। তখন বিষয়টি দেখা যাবে। তাদের ছাড়া এ বিষয়ে কোনো আদেশ নয়।

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে আসেন ইউনুছ আলী আকন্দ। এই আইনজীবী বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময় জনস্বার্থের বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন। তবে তার দায়ের করা বেশিরভাগ রিট খারিজ হয়েছে। কিছু কিছু রিটের রায় পেয়েছেন এই আইনজীবী।

এর আগে রবিবার রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে সরকারি বিধিনিষেধের পঞ্চম দিনে ‘মুভমেন্ট পাস’ নিয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়ান চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিন দুপুরে তিন পক্ষের বাগবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ উৎসুক জনতার নানা পর্যবেক্ষণ ও মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, দুপুরে এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের চেকে পড়েন। সেখানে ঢাকা জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার শেখ মো. মামুনুর রশিদ আদালত পরিচালনা করছিলেন। নিউ মার্কেট থানার একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে একাধিক পুলিশ সদস্য সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন।

চেক পোস্টে পুলিশ সদস্যরা চিকিৎসকের কাছে তার আইডি কার্ড দেখতে চান। সঙ্গে আইডি কার্ড আনেননি বলে জানান চিকিৎসক জেনি। এরপর তার কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাওয়া হয়। এ সময় জেনি কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। জিজ্ঞাসা করেন, ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস লাগে? পরে সেই বাগবিতণ্ডা চলে দীর্ঘ সময়।

আরও দেখুন

এ বিষয়ের আরও সংবাদ

Close